ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
১

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব তুলে ধরতে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভার।

- Advertisement -

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ভূল্লী কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূল্লী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ধীরেন্দ্রনাথ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভূট্টো চৌধুরী, ভূল্লী থানার সেকেন্ড অফিসার রাশেদুল ইসলাম, কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী এবং ভূল্লী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয় জীবনে দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় এ দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্য জোরদারে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান।

এ সময় জেলা বিএনপির নেতা জুলফিকার আলী ভূট্টো বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অল্প সময়ের মধ্যেই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এর ফলে জনগণের নাগরিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ সংকুচিত হয়। পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও পাল্টাপাল্টি রক্তপাতের ঘটনায় দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেই সংকটময় সময়ে মানুষের প্রত্যাশা ছিল প্রকৃত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের স্বাদ ফিরে পাওয়া।

স্বাধীনতার পর দেশের মানুষ যে স্বাধীনভাবে বিকশিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শঙ্কার কারণে তা বাধাগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের মুক্তি দেশের মানুষের সামনে নতুন আশার সঞ্চার করে।

জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে এগিয়ে যায় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। তাঁর নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত হয়।

এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এই বিভাগের আরও সংবাদ