কালিগঞ্জ বাঁশতলা বাজার সড়কের কার্পেটিং কাজে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের “খ” ঠিকাদার মোল্লার যাদুতে নীরব ভূমিকায় কর্তারা

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
১৯২

জিএম মামুন বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর স্কুল হতে বাঁশতলা ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের কাজ ৩/৪ নাম্বার আমা যুক্ত নিম্নমানের ইটের “খ” দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে শ্যামনগরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এবং স্থানীয়রা জানান ফতেপুর স্কুল টু বাঁশতলা ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের কার্পেটিং এর কাজ বছর ডেড়েক আগে শুরু করেছিল শ্যামনগরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং। রাস্তার কিছু অংশ কাজ করে,দীর্ঘদিন কাজ ফেলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। হঠাৎ ১৫/২০ দিন আগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ম্যানেজার জাকির হোসেন নেতৃত্বে রাস্তার কাজ পুনরায় শুরু করেছে। এবং দীর্ঘদিন রাস্তার কাজ পড়ে থাকায় রাস্তার উপর দিয়ে ধুলি কাদার প্রলেপ পড়ে গেছে। রাস্তার কাঁদার প্রলেপ পরিষ্কার না করে। ভাটার রাবিশ এবং ৩/৪ নাম্বার নিম্নমানের ইটের “খ” দিয়ে রাস্তায় পুনরায় কাজ শুরু করেছে ঠিকাদার মোল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং।

- Advertisement -

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং এর উত্তর অধিকারী (মোল্লার) সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি জানান। রাস্তার কাজের পরিমাণ ২৫০০ মিটার যা সরকারি মূল্য ৫ কোটি টাকা তবে এখন ভাটায় ভালো ইট পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য খারাপ ভালো-মন্দ ইটের “খ” সবকিছু মেনে নিতে হবে।

দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোবিন্দ মন্ডল বলেন। আমি বারবার উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসে বলেছি কিন্তু উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস থেকে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। খুবই নিম্নমানের ইটের খ দিয়ে রাস্তা কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চেয়ারম্যান গোবিন্দ মন্ডল প্রতিবেদককে আরো জানান এটা আমার ইউনিয়ন আমার ইউনিয়নে কোন প্রকার দুর্নীতি কাজ করতে দেব না। কালিগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আগামীকাল আমি আমার জনগণ দিয়ে রাস্তার দুর্নীতি কাজ বাধা দিব।
স্থানীয় অনেকে জানান সড়কের কাজের অবস্থা খুবই নগণ্য ও বেহাল দশা অথচ কালিগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ইমরান হোসেন তার রাস্তার কাজের সময় একদিনও খোঁজ মেলে নি।

এ বিষয়ে ফতেপুর টু বাঁশতলা সড়কের কালিগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসের তদারকি কর্মকর্তা (SO) ইমরান হোসেনের কাছে মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি জানান কাজ তো খুব ভালোভাবে চলছে আমি শুনেছি।
তবে আপনি যখন বলছেন আগামীকাল আমি যেয়ে রাস্তার কাজ খারাপ পেলে পুনরায় ঠিকাদারকে ভালোভাবে কাজ করতে বলবো।

এই বিভাগের আরও সংবাদ