খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
৪০৭

দৈনিক সময় ডেস্ক:
ধারাবাহিকভাবে ভাস্কর্য চর্চায় উৎসাহ, বিকাশমান চর্চার সুরক্ষা ও বিস্তারে সহায়তা প্রদান করার লক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ১৯৭৬ সালে প্রথম এবং ১৯৮৩ সালে দ্বিতীয় জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ ৩১ বছর বিরতির পর ২০১৪ সালে তৃতীয় জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী এবং ২০১৮ সালে ৪র্থ ভাস্কর্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর পঞ্চম বারেরমত শুরু হয়েছে জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী গত ২৯ নভেম্বর এবং চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

- Advertisement -

এবারের প্রদর্শনীতে সারাদেশ থেকে ২১ বা তদুর্ধ বয়সী ১৩৫ জন শিল্পীর মোট ২৫৪ টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য জমা পড়ে। নির্বাচকম-লী বাছাই করে ১০৭ জন শিল্পীর মোট ১১৪ টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচন করেন।

মিলনায়তনে প্রদর্শনীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর, বরেণ্য ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান ও বরেণ্য শিল্পী অলক রায়।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সৈয়দা মাহবুবা করিম। জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে ইতিপূর্বে ৫জন শিল্পীকে পুরস্কার দেওয়া হলেও এ বছর ১৩ জন শিল্পীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে ৫ম জাতীয় ভাস্কর্য পুরস্কার-২০২১ শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করেন নবীন শিল্পী বিজন হালদার।

পুরস্কার হিসাবে একটি ক্রেস্ট, একটি সনদপত্র সহ ২লক্ষ টাকা পেয়েছেন। ভাস্কর বিজন হালদার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিদ্যার উপর ২০১৭ সালে স্নাতক ডিগ্রি শেষ করে আইসিসিয়ার স্কলারশিপ নিয়ে মহারাজা সায়াজিরাও ইউনিভার্সিটি অফ বরোদা মত আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়েটিভ ভাস্কর্যের উপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করে গত অক্টোবর এ দেশে ফিরে প্রথম বারের মত জাতীয় প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করেন।

তিনি ভাস্কর্যের মাধ্যমে ভালবাসা, কস্ট ও জীবনের সম্পর্কের বিষয়কে তুলে ধরেছেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা স্কুল প্রতিষ্ঠাকালীন লগ্ন খেকে এই পর্যন্ত প্রথম কোন ছাত্রর জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার অর্জন করেছে এবং এই অর্জনের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে শিল্পকলার জাতীয় অঙ্গনে সম্মান বাড়িয়েছে।

তার বাড়ি বাগেরহাট জেলার কচুয়ায় এবং ব্যক্তিগত জীবনে মা বাবা ও দুই ভাই সহ পরিবারে পাঁচ জন সদস্য। ভবিষ্যতে ভাস্কর্যের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, রিফুজি সহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে তার।

এই বিভাগের আরও সংবাদ