রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু
ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে শ্রমিক অসন্তোষের সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলার শিকার হয়েছেন পাঁচ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে ও দুপুরে পৃথক ঘটনায় তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।
দুপুর ১২টার দিকে হেমায়েতপুরে নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদক নাজমুল হুদা ও ক্যামেরাপারসন ইমদাদুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নাজমুল হুদা জানান, তিনি শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে সরাসরি লাইভে যুক্ত ছিলেন। এ সময় মুখোশধারী ১৫ থেকে ২০ জন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং রড, এসএস পাইপ, লাঠি ও ইট দিয়ে তাঁদের মারধর করে। এতে তাঁর বুক, পিঠ, হাত ও পায়ে আঘাত লাগে। তাঁর ক্যামেরাপারসনও হামলার শিকার হন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হন আরও তিন গণমাধ্যমকর্মী।
তাঁরা হলেন স্টার নিউজের ঢাকা জেলা প্রতিনিধি আহমাদ সোহান সিরাজী, একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিনিধি রাইয়ান বিন আমিন এবং একই টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন উজ্জ্বল হোসেন।
আহত সাংবাদিকেরা জানান, সকালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের খবর পেয়ে তাঁরা পদ্মার মোড়ে যান। সেখানে কয়েকজন শ্রমিকের বক্তব্য নেওয়ার পর ঘটনাস্থলের কিছুটা সামনে গিয়ে ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে মাস্ক পরা একদল ব্যক্তি তাঁদের পরিচয় জানতে পেরে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা লাঠি ও ইট দিয়ে তাঁদের মারধর করে।
পরে আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তি এগিয়ে এসে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের সহায়তায় আহত তিন গণমাধ্যমকর্মী ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে সক্ষম হন।