শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
১

জাতীয় ডেস্ক: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের জাতীয়করণের দাবির সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত করতে এবং তাদের কাজের উপযুক্ত মর্যাদা নিশ্চিত করতে জাতীয়করণের এই দাবি একদিন না একদিন বাস্তব রূপ লাভ করবেই।

সম্মেলনে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের একটি নতুন উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে বাড়তি আয় করার সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া বর্তমান সরকারের আমলেই শিক্ষা খাতের বাজেট তিন গুণ এবং স্বাস্থ্য খাতের বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

- Advertisement -

শিক্ষকদের সমাজে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন যে, শিক্ষক হলো এমন একটি পেশা যার হাত ধরেই বাকি সব পেশার মানুষের সৃষ্টি হয়। সমাজ বিনির্মাণে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চলা যে কোনো ধরনের অপপ্রচার সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের আর্থিক সুরক্ষায় সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে এবং বাজেট সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ভাতা প্রদানের জন্য বড় অংকের তহবিল গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে শিক্ষকদের একটি বড় ও সুশৃঙ্খল সমাবেশের মাধ্যমে তা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরার পরামর্শ দেন এই প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান যে, এই দাবি পূরণে অতিরিক্ত কিছু অর্থের প্রয়োজন হলেও সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। অন্যদিকে, পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধা নেই বলেও তিনি নিজের বক্তব্যে স্পষ্ট করে দেন।

এই বিভাগের আরও সংবাদ