সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
৩

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে এবং সংসদীয় সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্প্রতি বঙ্গভবনে যুক্তরাজ্য বিষয়ক অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের একটি উচ্চপর্যায় প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। ব্রিটিশ এমপি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আফসানা বেগমের নেতৃত্বে আসা এই প্রতিনিধিদলে আরও অংশ নেন এমপি শওকত আদম এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসাইন। সাক্ষাতের শুরুতেই ব্রিটিশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং গণতন্ত্রের পক্ষে তার দীর্ঘ সংগ্রামের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠক চলাকালে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয় এবং যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার ও রপ্তানি বাজার হিসেবে অভিহিত করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি যুক্তরাজ্যের সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও সুশাসনের কথা উল্লেখ করে পারস্পরিক সফর বিনিময়, সংসদীয় কমিটির কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এ সময় এপিপিজির উদ্যোগে জাতীয় সংসদে খুব শীঘ্রই একটি বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

- Advertisement -

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এপিপিজি সদস্যদের ইতিবাচক ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন যে দেশের মানুষ তাদের এই অবদান সবসময় মনে রাখবে। অন্যদিকে, প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ ও দেশের বাইরে সর্বমহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিটিশ ব্যবস্থার আদলে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি মনে করেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্ট বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার জন্য একটি চমৎকার ও অনুসরণযোগ্য মডেল হতে পারে। উভয় পক্ষের আন্তরিকতাপূর্ণ এই বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সামরিক সচিব, সচিব এবং প্রেস সচিবসহ সরকারের উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও সংবাদ