ফিফা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচনে এএফসির সমর্থন পেলেন ইনফান্তিনো
ইপেপার / প্রিন্ট
খেলা ডেস্ক: বিশ্বকাপ ও শীর্ষ ফুটবল টুর্নামেন্টের সম্প্রচারস্বত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা বাতিল এবং নিঃশর্ত ক্ষমার পর এবার স্বস্তির খবর পেলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। অতীতে বেশ কিছু বিতর্ক ও সমালোচনার মুখ পড়লেও সম্প্রতি এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে তাকে পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়েছে। এর ফলে আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা সভাপতি নির্বাচনে তার বিজয়ের পথ অনেকটাই সুগম হলো বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
জাপানের টোকিও শহরে অনুষ্ঠিত এএফসির বিশেষ কংগ্রেস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৫৬ বছর বয়সী এই ফিফা প্রধান। ওই বৈঠকে এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা আনুষ্ঠানিকভাবে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব ও তার আসন্ন প্রার্থিতার প্রতি এশীয় অঞ্চলের অটল প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে এশিয়ার সদস্য দেশগুলো অতীতেও এই সুইস নাগরিকের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
এর আগে গত আগস্টে ফিফার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোর স্বত্ব বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী সিদ্ধান্তের কারণে উয়েফা এবং কনকাকাফের পাশাপাশি এএফসিরও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ইনফান্তিনো। এমনকি কিছু জাতীয় অ্যাসোসিয়েশন তার ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে তার পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। তবে পরিস্থিতি দ্রুত অনুধাবন করে তিনি নিজের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং সমালোচকদের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে আনতে সচেষ্ট হন।
অতীতের ভুলত্রুটি ও মতবিরোধকে পেছনে ফেলে সামনের দিনগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন এএফসি প্রধান শেখ সালমান। তিনি উল্লেখ করেন যে ইনফান্তিনো বিভিন্ন সময় এশিয়ার দেশগুলো সফর করে ফুটবলের উন্নয়নে তার প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দিয়েছেন, যা এশীয় অঞ্চলকে তার পক্ষে অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। এদিকে আগামী মার্চে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের জন্য প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা আগামী ১৮ নভেম্বর নির্ধারিত রয়েছে। ইউরোপের কিছু অ্যাসোসিয়েশনের আপত্তি সত্ত্বেও এশিয়ার মতো বড় একটি মহাদেশের শক্ত সমর্থন এবং এখন পর্যন্ত কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা এখন সবচেয়ে জোরালো।
