অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার দ্রুত বদলে যাওয়া নগরজীবনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং প্রকৃতির সুষম সমন্বয় ঘটিয়ে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে স্বনামধন্য আবাসন ও অবকাঠামো নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিম্পলট্রি। নাগরিক চাহিদার সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে তারা সম্প্রতি বেশ কিছু বাণিজ্যিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা স্থাপত্যশিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করছে। কংক্রিটের এই শহরে সবুজায়নের ছোঁয়া রাখতে প্রতিটি ভবনের নকশায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির এসব বাণিজ্যিক প্রকল্পে টেকসই স্থাপত্যশৈলীর নান্দনিক ব্যবহার করা হয়েছে, যা শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ইট-কাঠের যান্ত্রিকতার ভিড়ে নগরবাসীকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ভবনের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্মাণকাজে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এমন উপাদানের ব্যবহার কমিয়ে আনা হয়েছে, যা আধুনিক গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্টের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিকে টিকিয়ে রাখার এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সিম্পলট্রির এই ধরনের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো ভবিষ্যতে ঢাকার রিয়েল এস্টেট খাতের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার এই মেলবন্ধন দীর্ঘমেয়াদে নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্তাব্যক্তিরা জানান, কেবল বাণিজ্যিক লাভালাভ নয় বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বসবাসযোগ্য ও টেকসই রাজধানী গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। পরিকল্পিত নগরায়নের অংশ হিসেবে তারা আগামীতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব প্রকল্প অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর মাধ্যমে ঢাকার বাণিজ্যিক অবকাঠামো খাতে স্থায়িত্ব ও নান্দনিকতার এক নতুন যুগ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।