রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নে পান চোর আটক

খুলনা প্রতিনিধিঃ

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নে পানসহ মন্জুর(৫০) নামে এক জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে গ্রাম বাসী। ইউনিয়নের ঘাটভোগের পান ব্যবসায়ী বাদশা মিয়ার পান বরজে থেকে পানসহ গ্রামবাসী তাকে আটক করে। সে স্থানীয় তোতা হালদারের ছেলে।

জানা যায় গত ২১ জুন (শনিবার)বিকালে পাঁচটার দিকে মন্জুরকে স্হানীয় বাদশার পান বরযে পান চুরি করতে দেখে মহিলারা চোর বলে চিৎকার দিলে সে দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করলে গ্রামবাসী ধাওয়া করে তাকে চুরিকৃত পানসহ ধরে ফেলে বেদম প্রহার করে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

স্থানীয় রাইসা আক্তার রোশনি নামে একজন বলেন, মঞ্জুরকে আজ বিকালে বাদশার বরজে পানচুরি রত অবস্থায় গ্রামবাসী ধরে মারধর করে এবং পুলিশে দেয়। এর আগে সে বিভিন্ন লোকের বরযে বনমারা এসিড দিয়ে বরজ পুড়িয়ে দিয়েছে,বিষ প্রোয়োগ করে মাছ চুরি করেছে বলে জানান। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলমান।সে এলাকার কুখ্যাত মন্জুচোর নামে পরিচিত। এর আগে অনেকবার চুরির কারণে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েছে।

 

ভুক্তভোগী বাদশা মোল্লা বলেন,দীর্ঘ দিন ধরে সে এলাকায় চুরি করে আসছে। আজও সে আমার শফির বাগানের বরযে পান চুরি করেছিল এমতাবস্থায় এলাকাবাসী দেখে ফেললে সে দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করে পরে ধাওয়া দিয়ে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।কয়েক মাস আগে সে বনমরা ঔষুধ (এসিড) দিয়ে আমার ১৬ কাউন বরজ পুড়িয়ে দেয়, যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা, ১১ বিঘা ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ২৫ লক্ষ টাকার মাছ মেরে ফেলে। এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করি।মামলা চলমান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মন্জুর বলেন, বিকালে আমি বাজারে যাচ্ছিলাম।মানসা ব্রিজের উপর উঠলে বাদশা গং পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে এ আহত করেছে।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘাটভোগে চোর ধরার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করিয়েছি। কেউ অভিযোগ করেনি।অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিব। পূর্বের মামলায় সে (চোর) আদালত থেকে জামিন নিয়েছে ।

এলাকাবাসী জানায় এলাকায় কিছুদিন ধরে কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই,,মাদক ব্যবসা বেড়েছে।আমরা আমাদের পরিবার নিয়ে সংঙ্কিত। প্রশাসন এবং সরকারের কাছে এসব অপরাধিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।