আব্দুল আলিম,শ্যামনগরঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলাটি দেশের একেবারেই শেষ প্রান্তে অবস্থিত। সুন্দরবন উপকূলীয় এ জনপদে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের বসবাস। লবনাক্তার বেড়া জালে সাধারন মানুষের মধ্যে নানাবিধ রোগ বালায় লেগেই আছে। এখানে প্রতি সপ্তাহে প্রায় অর্ধ শতাধিক বহিরাগত ডাক্তার এসে রোগী দেখে থাকেন। গরিব দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশী এ এলাকায়। বহিরাগত ডাক্তারদের কাছে কম পক্ষে কয়েকশ” রোগী চিকিৎসা নেওয়ার জন্য এসে থাকে। কিন্তু ডাক্তারী ভিজিটের টাকা পরিশোধ করে চেম্বারে ঢুকলে ডাক্তার ৪/৫ টি পরিক্ষা লিখে পাঠিয়ে দেন প্যাথলজ্বিতে। এবার ইচ্ছেমত প্যাথলজ্বি গুলো ডাক্তারদের কমিশন চিন্তা করে আর নিজের ব্যবসা ঠিক রেখে রোগীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয় ইচ্ছেমত টাকা। কোন পরিক্ষার কত টাকা ফি এ ধরনের সিটিজেন চার্ট বহির বিভাগে লাগানো নেই। একই পরিক্ষা একেক প্যাথলজ্বিতে একেক রকম খরচ। মানুষ যখন অসুস্থ হয়ে যায় সেটা কে পুজি করে ডাক্তার আর প্যাথলজ্বি ব্যবসাইরা হাতিয়ে নেই মোটা টাকা। মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগকে এরা সদ ব্যবহার করে থাকে। তবে দিনে দিনে প্যাথলজ্বির সংখ্যা বেড়েই যাওয়ায় সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। তাই তারা প্রসাশনের কাছে দাবী করেছে কোন পরিক্ষার কত ফি সেটা বহিবিভাগে ঝুলিয়ে রাখার।
সোমবার , ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - শরৎকাল
শ্যামনগরে প্যাথলজ্বির সংখ্যা বেড়েই চলেছে, প্রকাশ্যে পরীক্ষার চার্ট ঝুলানোর দাবি
প্রকাশিত হয়েছে-