ক্রাইম রিপোর্টারঃ-দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অধিনে প্রতি বছর ভর্তিকৃত রোগীদের প্রতিদিনের খাবার এবং চিকিৎসা সামগ্রী (MSR) ক্রয়ের জন্য পরিবেশক বা ডিলার নিয়োগ করা হয়ে থাকে। নীতিমালা অনুযায়ী এম এস আর চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের জন্য বহুল প্রচলিত পত্রিকায়, হাসপাতালে সরকারি নোটিশ বোর্ড,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নোটিশ বোর্ড, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইট কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করার বিধান রয়েছে। সম্পূর্ণ নীতিমালা লংঘন করে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করে পরিবেশক নিয়োগ প্রদান করা হয় এবং প্রায় ১২ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ উত্থাপিত হয়। আরও জানা যায়, হাসপাতালের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী উক্ত সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। এমনকি মনপুরা হাসপাতলে এম এস আর চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয় এবং খাবারের জন্য পরিবেশক কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত হয়েছে তা কিছুই জানেনা মনপুরা উপজেলার সচেতন মহল। উক্ত বিষয়ে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ কবির সোহেলের নিকট জানতে চাইলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বার বার লাইন কেটে দেন। পরবর্তীতে উক্ত বিষয়ে মনপুরা হাসপাতালের একমাত্র প্রধান হিসাব সহকারি মাহমুদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে মাহমুদুর রহমান বলেন এ বিষয় তিনি কিছুই জানেন না, তিনি জেনে পরে জানাবেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথ্য গোপনের চেষ্টা করলে পরবর্তীতে স্থানীয় সাংবাদিকগণ তথ্য অধিকার আইনে তথ্য পেতে আবেদন করেন। বিষয়টি নিয়ে সিভিল সার্জন ভোলা জানান, এম এস আর চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের পুরো বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন, বিষয়টি মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানার কথা। তবে এ বিষয়ে উপজেলা থেকে জেনে আপনাদের জানাতে পারবো।
উল্লেখ্য, মনপুরা হাসপাতালে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, ভর্তি বিভাগ ও রোগ নির্ণয় বিভাগের সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রতিটি বিভাগেই সেবার মান নিয়ে রয়েছে ব্যাপক প্রশ্ন। চলছে আমাদের অনুসন্ধান, বিস্তারিত থাকছে ২য় পর্বে।
সাথে থাকুন