মঙ্গলবার ,  ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ||  ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ -  শরৎকাল

বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগে ৪৭টি বিষধর সাপ, অতঃপর…

প্রকাশিত হয়েছে-

ভারতের মুম্বাইয়ের বিমানবন্দরে এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ৪৭টি বিষাক্ত সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই যাত্রী থাইল্যান্ড থেকে মুম্বাই বিমানবন্দরে এসেছেন।

মুম্বাই কাস্টমস রোববার (২ জুন) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সাপগুলোর মধ্যে ৪৪টি ইন্দোনেশিয়ান পিট ভাইপার ছিল। এসব সাপ চেকইন লাগেজের ভেতরে লুকানো ছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় থাইল্যান্ড থেকে আসা এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়ার যাত্রীর বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই যাত্রীর ব্যাগে আরও পাওয়া গেছে তিনটি স্পাইডার-টেইলড হর্নড ভাইপার। এই প্রজাতির সাপ খুবই বিষাক্ত। তবে এই প্রজাতির সাপ সাধারণত পাখির মতো ছোট শিকারেই সীমাবদ্ধ থাকে। এ ছাড়া ওই ব্যক্তির ব্যাগ থেকে পাঁচটি এশিয়ান লিফ টার্টলস বা এশিয়ান পাতা কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

মুম্বাই কাস্টমস ওই ভারতীয় যাত্রীর ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা সাপগুলোর ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যায়, নীল ও হলুদ রঙের সাপগুলো একটি বালতিতে রাখা হয়েছে। সেখানে সাপগুলো কুণ্ডলি পাকিয়ে রয়েছে।মুম্বাই বিমানবন্দরে সাধারণত এ ধরনের বিষাক্ত সাপ জব্দ হওয়ার ঘটনা খুবই বিরল। সাধারণত কাস্টমস কর্মকর্তারা সোনার বার, নগদ টাকা, গাঁজা বা পেটের ভেতর থেকে গিলে ফেলা কোকেনজাতীয় মাদক উদ্ধারের ছবি শেয়ার করে থাকেন। তবে এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বাই বিমানবন্দরে এক পাচারকারীর ব্যাগ থেকে ৫টি সায়ামাং গিবন (এক ধরনের ছোট বানর) উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই প্রজাতির প্রাণীর আদি বাসস্থান ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বনাঞ্চলে।

কাস্টমস জানায়, এসব ছোট প্রাণীকে অত্যন্ত সুচতুরভাবে একটি প্লাস্টিকের খাঁচায় ভরে ট্রলি ব্যাগে লুকানো হয়েছিল। সব কয়টি প্রাণীই আন্তর্জাতিকভাবে বিপন্ন প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত। সূত্র : বিবিসি।