গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
০

জাতীয় ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি বঙ্গভবনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করতে সংবাদমাধ্যমের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রচুর অবকাশ রয়েছে। গণমাধ্যম যদি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে, তবে তা পুরো জাতির জন্যই সুফল বয়ে আনে।

বৈঠকটিতে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতির কাছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামগ্রিক কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ সদস্যদের কল্যাণে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তাঁরা ডিআরইউর আগামীদিনের কার্যক্রম সফল করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন এবং সংগঠনের ঐতিহ্যবাহী বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।

- Advertisement -

সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার এবং সুযোগ-সুবিধা সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বিষয়ে পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের বিনা কারণে চাকরিচ্যুত করার প্রবণতা রোধ, সঠিক সময়ে ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং সাংবাদিকদের ওপর যেকোনো ধরনের নির্যাতনের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি। রাষ্ট্রপতি মনে করেন, সাংবাদিকদের নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সব সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখা জরুরি।

অতীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের দিনগুলোতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির চত্বরে নিজের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির স্মৃতিচারণ করেন রাষ্ট্রপতি। সেসময়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাংবাদিকদের সাহসী ও আপসহীন ভূমিকার জন্য তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতি ডিআরইউর সার্বিক উন্নয়নে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন এবং তাঁদের আমন্ত্রণে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। উক্ত সাক্ষাত্কালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও সংবাদ