অসহায় শিল্পীদের সহায়তার ‘সামর্থ্য নেই’ শিল্পী সমিতির

করোনাভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকে অসহায় শিল্পীদের পাশে থাকলেও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তহবিল থেকে এখনও কাউকে সহায়তা করা হয়নি।

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট
১৫৬

শিল্পীদের সহায়তা করার মতো অর্থ সমিতির তহবিলে নেই বলে দাবি করলেন সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

“ফান্ডে যে টাকা আছে সেটা খুবই অপ্রতুল। শিল্পীদের সহায়তার করার মতো অবস্থা ফান্ডের নাই। শুধু আজকের না, কোনোদিনই ছিল না। কারণ শিল্পী সমিতি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।”

- Advertisement -

তহবিলে কত টাকা আছে-এমন প্রশ্নের জবাবে এ উঠতি নায়ক বলেন, “ফান্ডে কত আছে সেটা গণমাধ্যমকে বলব না। এটা আমার ব্যক্তিগত ও সমিতির নিজস্ব বিষয়।”

অন্যদিকে কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা ফরহাদও তহবিলে ঠিক কত টাকা আছে তা ‘খেয়াল’ করতে পারলেন না।

তবে সেই তহবিলের এক টাকাও এই সঙ্কটে অসহায় শিল্পীদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন ফরহাদ।

গত বছরের নভেম্বরে সাধারণ সভার পর সমিতির তহবিলে প্রায় ৬০ লাখের মতো টাকা থাকার খবর এসেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে; তবে এটিকে উড়িয়ে দিলেন জায়েদ খান।

তিনি বলেন, “সেই সভায় বার্ষিক হিসাবটা দিচ্ছিলাম। খরচ কত হয়েছিল তার একটি রূপরেখা তৈরি করেছিলাম। তখন রিয়াজ ভাই গণমাধ্যমে মনগড়া তথ্য দিয়েছিলেন। সাধারণ সভার হিসাবের টাকাকে ফান্ডের টাকা বলেছিলেন তিনি। সেটি গণমাধ্যমে ভুলভাবে এসেছে।”

গত দুই বছরে তহবিলে বড় কোনো অনুদান পাননি বলে জানান তিনি; উপায়ান্তর না দেখে সমিতির তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুদান চেয়ে আবেদনও করেছেন এ অভিনেতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিল্পী বলেন, “শিল্পী সমিতির তহবিলে টাকা না থাকলে শিল্পীদের সদস্যপদ নেওয়ার সময় আবেদন ফি ও মাসিক চাঁদা থেকে প্রাপ্ত অর্থ তাহলে কোথায় খরচ করা হয়?”

বর্তমানে শিল্পী সমিতির পূর্ণ সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৭শ’র মতো; যাদের প্রতিমাসে চাঁদা হিসেবে ১০০ টাকা সমিতিতে জমা দিতে হয়।

এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, “শিল্পীদের চাঁদা দিয়েই শিল্পী সমিতি চলে। অনেকে আবার ঠিকমতো দেয় না। শিল্পী সমিতির বড় কোনো ফান্ড নাই। সমিতির চারজন স্টাফের বেতন, ঈদের বোনাস দিতেই অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়।”

এই বিভাগের আরও সংবাদ